নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মেহেরপুরের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এ অঞ্চলে বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন জনপ্রিয় নেত্রী রোমানা আহমেদ এর নাম বেশ জোরেশোরেই শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র মেহেরপুর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, দুইবার নির্বাচিত ভাইশ চেয়ারম্যান মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক মহিলা দলের সভাপতি সাবেক যুগ্ন আহবায়ক জেলা বিএনপি মেহেরপুর, সাবেক মহিলা দলের শিশু বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্র কমিটি, সাবেক সহ-সভাপতি জেলা কমিটি জেলা বিএনপি মেহেরপুর জেলা নারী উন্নয়ন ফরমের সভাপতি, মেহেরপুর সেতো বন্ধন নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থা পরিচালক রোমানা আহমেদকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান মেহেরপুর বাসী। খালেদা জিয়া তারেক রহমান সহ বিএনপি পরিবারের প্রতি অগাধ ভালোবাসা রয়েছে তার। স্বৈরাচারী এরশাদ এবং হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করায় জেলার সবখানেই আলোচনায় রয়েছেন তিনি। শিশুকাল থেকে রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা রোমানা আহমেদ এর কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদল থেকে রাজনীতির হাতে খড়ি। রোমানা আহমেদ জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি করি। প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খুব কাছের লোক ছিলাম। অনেক সঙ্গ দিয়েছি তাকে। তিনি অনেক ভালোবাসতেন আমাকে। এরশাদ এবং হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। একজন মহিলা হয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলা মোটেও সহজ বিষয় নয়। আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের দুঃশাসনে জেলার প্রতিটা মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করি এবং সেন্ট্রাল এর প্রতিটা মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করি, পুলিশের অত্যাচারে বাড়িতে ঘুমাতে পারি নাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে, আমি এবং আমার হাজব্যান্ড মেহেরপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ সাঈদ আহমেদ। আমাকে ২০০৯ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০ রমজান আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী মেহেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের দোতলার সিঁড়ি থেকে নিচে ফেলে দেয় আমি পেটে এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। আমি ৫ তারিখের পরে আসা কোন নেত্রী নই। মেহেরপুরবাসী আওয়াজ তুলেছে আমাকে সংরক্ষিত আসনে এমপি দেখার জন্য। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি আমাকে মনোনীত করেন আমি সকলকে নিয়ে মেহেরপুরের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাব।

